Purulia's Pakhi Pahar & Khairabera Dam
Hi, friends I'm Sourav. Touring is my favorite hobby. Photography is my passion and Videography is on my sole.So, I do these from my heart. I write these tour experience in my blog and share with every ones.So, who loves tour, here and there, I request them to read this in your language from my blog. And this is a tour related website. I hope that, I can cover all INDIA tour stories in this blog.
পূর্ববর্তী পর্বের জন্য পাশের লিঙ্ক টি দেখুন
https://travellingsourav.blogspot.com/2020/11/Mathura-Vrindavan.html
২৬ শে নভেম্বর – আজ সকাল ৪ঃ৩০ টা নাগাদ আমাদের বেড টি দেওয়া হল। ৫ঃ৩০ আমাদের সবার লাগেজ বাসে তোলা হল। আমরা আশ্রম ছাড়লাম ৬ঃ৩০ টায়, রওনা হলাম দিল্লির পথে। পথের মাঝে ৮ঃ৪৫ টা নাগাদ এক ধাবায় টিফিন খেলাম। বৃন্দাবন থেকে দিল্লির দূরত্ব ১৪৫ কিমি। সকাল ১০ঃ৩০ টা নাগাদ আমরা দিল্লি পৌঁছেই চললাম “Lotus Temple” দেখতে। কিন্তু সোমবার বন্ধ থাকার জন্য আমরা চলে এলাম হোটেলে। তখন বাজে ১২ঃ৩০ টা। হাত মুখ ধুয়ে সবাই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। দুপুরের খাওয়া সারার পর ২ টো নাগাদ আমরা চললাম সাইট সিন দেখতে। আমাদের একজন গাইড দেওয়া হল যিনি দিল্লির দরশনিও স্থান গুলি ঘুরিয়ে দেখাবেন। সর্বপ্রথমে আমরা গেলাম বিড়লা মন্দিরে, সেখান থেকে নিউ দিল্লির কালিবাড়ী। সেখান থেকে গাইড আমাদের নিয়ে চললেন গাড়ীতে করে (এই সব জায়গায় জন সাধারনের যাওয়া নিষেধ) রাষ্ট্রপতি ভবন, রেল মন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবন, লালকেল্লা, জুম্মা মসজিদ ইত্যাদি। এখান থেকে আমরা চললাম “INDIA Gate” দেখতে। এখানে আমাদের সময় দেওয়া হল ২০ মিনিট। এর সামনে কিছু ফটো তোলা হল। ঠিক সময় মত চলে এলাম বাসে। আমাদের বাস চলল রাজঘাটের দিকে। আসার পথে রাস্তার ধারের দৃশ্য দেখতে দেখতে চলে এলাম শান্তিবন ও রাজঘাটে। রাজঘাটে নেমে চলেছি চিতা দেখতে। এখানে প্রায় ২০ মিনিট কাটিয়ে ফিরে এলাম হোটেলে। কেও কেও বেরিয়ে গেল কেনাকাটা করতে। হোটেলে আমরা সন্ধ্যার টিফিন হিসাবে দুটো সিঙ্গারা খেলাম। বাকি সময়টুকু সামনে ঘুরে ও ঘরেই কাটিয়ে দিলাম। রাত ৯ঃ১৫ নাগাদ আমরা খেয়ে নিয়ে আজকের দিন সমাপ্ত করলাম।
২৭ শে নভেম্বর – সকাল ৬ টা নাগাদ বেড টি দেওয়া হল, ৮ঃ৩০ টায় ব্রেকফাস্ট। এবার চলেছি সাইট সিন দেখতে। যেতে যেতেই আমরা বাস থেকে দেখলাম বিভিন্ন হাই কমিশন (চায়না, নরওয়ে, সুইডেন ও ফ্রান্স)। এগুলি দেখতে দেখতেই গেলাম Qutub Minar। ১০ টাকার টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকতে হল। এখানে রাস্তার এক দিকে টিকিট ঘর, অন্য দিকে কুতুব মিনার। ঢোকার মুখেই প্রথমে সার্চ হল। ভিতরে ঢুকেই দেখলাম সুসজ্জিত বাগান, তার মাঝে Qutub Minar। আমরা সবাই জানি এই মিনার নিচের দিকে মোটা আর উপর দিকে সরু। আমরা জানি এই মিনারে একসময় সবাইকে উঠতে দেওয়া হত। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে উপরে ওঠা বন্ধ। কারন হিসাবে জানলাম, বেশ কয়েক বছর আগে স্কুলের বাচ্ছারা উপরে উঠতে গিয়ে পা পিছলে গিয়ে কয়েক জন মারা গিয়েছিলো। এবার অনেকে বলে উপরে উঠে কেও আত্মহত্যা করেছিল। এর চারপাশে আমরা ফটো তুললাম বেশ কিছু। এই মিনারের চারপাশে কয়েকটি ইট পাথরে গাঁথা ভাঙ্গা স্তম্ভ দেখতে পেলাম। এরপর আমরা সবাই মিলে একটি কবরের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমাদের টিম মানেজার একটি গ্রুপ ফটো তুলে দিলেন। Qutub Minarরে আমরা প্রায় ২০ মিনিট মত সময় কাটিয়ে ফিরে চললাম বাসে।
এবার আমরা চললাম নিউ দিল্লির “Lotus Temple”র দিকে। এটি বাইরে থেকে দেখতে পদ্ম ফুলের মত তাই মনে হয় এই নাম। এটি ২৬.৬ একর জমির উপর স্থাপিত, এর বাইরেটা পুরোটাই মার্বেল পাথরের। আমরা জানলাম এটি একটি উপাসনালয়। এর আসল নাম “বাহাই উপাসনালয়”। ভেতরটা বেশ ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা। এখানে সবাই নিঃশব্দে যাওয়া আশা করে। বাইরের জমিতে খুব সুন্দর করে ঘাস ছেঁটে, গাছ বসিয়ে সেগুলকেও ছেঁটে বেশ সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এখানে ৩০মিনিট মত কাটিয়ে বেরিয়ে পড়লাম Lotus Temple থেকে। বাসে উঠে যেতে যেতে আমরা দেখে নিলাম “তিনমূর্তি ভবন” ও “গান্ধীবাড়ী”। কিছুক্ষণ পর বাস এসে থামল “ইন্দিরা গান্ধী মিউসিআমে”। এখানে একটির সাথে একটি জোড়া দেওয়া ঘরে ইন্দিরা গান্ধীর বিভিন্ন ব্যবহৃত জিনিস আছে। এর সঙ্গে আছে একটি বৈঠকখানা ও ডাইনিং রুম। ইন্দিরা গান্ধীর বাসভবন থেকে পাশেই গেলাম রাজীব গান্ধীর সংগ্রহ সালায়। এখানে তার ব্যবহৃত জিনিষপত্র ও বই আছে। এখানে আছে তাঁর বিভিন্ন সময়ের ফটো। এছাড়া একটা জিনিষ দেখে আমাদের মন খারাপ হয়ে গেল। এখানে রয়েছে সেই জামাটি, যেটি পরে তিনি মারা গিয়েছিলেন, এবং রক্ত মাখা অংশ। সেখান থেকে বাইরে এসে দেখলাম সেই রাস্তাটি, যেখানে ইন্দিরা গান্ধীকে তাঁর দেহরক্ষী গুলি করে মেরেছিল। সেখান থেকে বেরিয়ে বেলা ১ঃ৩০ টা নাগাদ আমরা হোটেলের দিকে রওনা দিলাম। বেলা ২ঃ৪৫ টা নাগাদ আমরা হোটেলে পউছালাম। ডাল, ভাত, মাছ, চাটনি ও ফুলকপির রোষ্ট, লাউ ও সুক্ত ছাড়াও হয়েছিল ফ্রাইড রাইস সঙ্গে চিলি চিকেন। খেয়ে কিছুক্ষণ হেঁটে আমরা চলে এলাম আমাদের ঘরে। আজ আর কোথাও বেরনো নেই। সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ টিফিন হিসাবে পেলাম চা ও দুটো করে ডিমের ডেভিল। পরদিন আমাদের গন্তব্য ছিল হরিদ্বার। ঠিক করে লাগেজ গুছিয়ে রেডি করে নিলাম, যাতে পরের দিন না বেগ পেতে হয়। রাত ৯ঃ৩০ টা নাগাদ খেয়ে নিয়ে শুয়ে পড়লাম।
যদি কেও দিল্লিতে থাকতে চান তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে হোটেল বুকিং করে নিতে পারেন -
https://www.tripadvisor.in/SmartDeals-g304551-New_Delhi_National_Capital_Territory_of_Delhi-Hotel-Deals.html
সমগ্র দিল্লিতে দর্শনীও স্থান গুলি সম্পর্কে যদি জানতে চান, তাহলে এই লিঙ্কটি থেকে দেখে নিন -
https://www.holidify.com/places/delhi/sightseeing-and-things-to-do.html
পরবর্তী পর্বের জন্য এই লিঙ্কটি দেখুন
https://travellingsourav.blogspot.com/2020/11/Rishikesh-Dehradun-Mussoorie.html
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন